আজকেরডিল.কম : বাংলাদেশের সর্বাধিক জনপ্রিয় অনলাইন শপিং মল। - Largest online shopping website in Bangladesh
top
সাব ক্যাটাগরি
  • সুতি
  • হ্যান্ড পেইন্টেড শাড়ি
  • উৎসবের লাল শাড়ি
  • তাঁত
  • টাঙ্গাইল
  • কোটা
  • মসলিন
  • জামদানি
  • সিল্ক
  • শিফন/ জর্জেট
  • কাতান
  • ইন্ডিয়ান কালেকশন
  • ডিজাইনার শাড়ি
filter down arrow
দাম
  • ৳ ০ - ৮০০
  • ৳ ৮০১ - ১২৫০
  • ৳ ১২৫১ - ১৮০০
  • ৳ ১৮০১ - ২৫০০
  • ৳ ২৫০১ - ৩৫০০
  • ৳ ৩৫০১ - ৪৫০০
  • ৳ ৪৫০১ - ৬০০০
  • ৳ ৬০০১ - ১০০০০
  • ৳ ১০০০১ - ১৪৫০০
  • ৳ ১৪৫০১ - ২০০০০
  • ৳ ২০০০১ - ৩০০০০
filter down arrow

বাংলাদেশী তাঁতের শাড়ি | আজকেরডিল - মোট ৪৯২ টি পণ্য পাওয়া গেছে

আপনার অর্ডার সম্পর্কিত তথ্য
X

পন্যের বিবরণ

পরিমাণ

দাম

মোট

গরমের আরাম সুতি তাঁতের শাড়ি | আজকেরডিল

প্রকৃতিতে চলছে এখন চৈত্রের হাওয়া। চিটপিটে গরম, প্রখর রোদ আর আর্দ্র গুমোট চারপাশ। গরমের দাবদাহে সারাদেশই যেন আসি আসি করে হাপিত্যেশ করছে। আবহাওয়ার প্রচণ্ড উত্তাপে নিস্বর্গের মতো জনজীবনও বেসামাল। প্রচন্ড এই গরমে পরিবেশের সঙ্গে মানানসই পোশাক ছাড়া তো বাইরে বের হওয়ার কথা কেউই যেন চিন্তা করতে পারেন না। গরমে অনেকেই শাড়ি এড়িয়ে চলেন। তারপরও মাঝে মধ্যে শাড়ি না পরলেই নয়। আর এমন পরিস্থিতিতে সব থেকে আরামদায়ক সুতি শাড়ি। আর এক্ষেত্রে গরমে তাদের প্রথম পছন্দ হলো শাড়ির ক্ষেত্রে তাঁতের সুতি শাড়ি। 

বাঙালী নারীর পছন্দের পোশাকের প্রথমদিকেই তাঁতের শাড়ির নাম থাকে। তবে তাঁত বলতে আবার সব তাঁতের শাড়ি নয়, ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি যুগ যুগ ধরে বাঙালি নারীর ফ্যাশনের প্রতীক হয়ে আছে। এ শাড়িতেই যেন ফুটে ওঠে বাঙালি নারীর চিরায়ত রূপ। বাঙালি নারীর সঙ্গে তাঁতের শাড়ির সম্পর্ক অনেক দিনের। লালপাড়ে তাঁত আর আড়াআড়ি ডুরে শাড়িতে ফুটে উঠত এক সময়কার বাঙালি নারীর চিরায়ত রূপ। ষাটের দশকের বাংলা সিনেমায় নায়িকাদের পরনের তাঁতের শাড়ির জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। তারপর বস্নক, বাটিক, প্রিন্টের ভিড়ে হারাতে বসেছিল এ শাড়ির ঐতিহ্য। তবে আবার ফিরে এসেছে এই ঐতিহ্য। 

গরমে শরীরে সহজে বাতাস চলাচল করার জন্য এবং ঘাম শুষে ‍নিতে পারে এমন শাড়িই বেছে নেওয়া উচিত। আর এ জন্য আমাদের দেশীয় তাঁতের সুতি শাড়ি যেমন, টাঙ্গাইলের তাঁত বা মনিপুরি তাঁতের শাড়ি পরা খুবই আরামদায়ক। চিকন পাড়ের তাঁতের শাড়ি সব সময় ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে আরামদায়ক। আবার উৎসবে-পার্বণেও নিজেকে ভিন্নমাত্রায় উপস্থাপন করতে বেছে নেয়া যায় এজাতীয় শাড়ি। 

সকালের শুভ্রতার সঙ্গে মিলিয়ে তাঁতে বোনা শাড়িটি হবে ছিমছাম ও সাধারণ। সঙ্গের সাজটাও হতে হবে মানানসই। এক্ষেত্রে মোটা পাড়ের একরঙা শাড়ি বেছে নিতে পারেন। হালকা গোলাপি, উজ্জ্বল আকাশি, গেরুয়া, হলুদ, হালকা সবুজ ও নীল রঙগুলোই মানানসই। তাছাড়া টাঙ্গাইলের তাঁতের বোনা সুতির শাড়ির দামও যেমন থাকে নাগালের মধ্যে। একইভাবে নারীর ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলতে এবং বাঙালিয়ানার আটপৌঢ়ে আবেশও যেন ফুটে ওঠে টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি পরিধানের মধ্য দিয়ে। 

বাঙালী নারীর সৌন্দর্য চেতনা বরাবরই একটু আলাদা এবং অবশ্যই শিল্পময়। তাদের সাধারণ সাজগোজ, পোশাক-আশাকে যেমন থাকে চলমান সময়ের নিপুণ প্রকাশ, তেমনি বাঙালিত্বকে ধারণ করে সব সময় নিজস্ব সংস্কৃতির বৃত্তের মধ্যে থাকতেই তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। আর এখানেই বাঙালীর নারী হয়ে ওঠেন অনন্য। এই গরমে সাদা, লেমন, হালকা গোলাপি, হালকা হলুদ, আকাশি, হালকা সবুজ ইত্যাদি রংয়ের পোশাক পরলে দেখতে স্নিগ্ধ লাগে। অন্যদের চোখেও দেখতেও ভালো লাগে। আর হালকা রংয়ের কাপড়ে নিজেরও স্বস্থি অনুভূত হয়।

টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি বরাবরই একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য নিয়ে সুদীর্ঘকাল ধরে তৈরি হয়ে আসছে। তবে বিগত কয়েক দশকে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়িতে এসেছে কারুকাজের নিখুঁত ছোঁয়া। আর সেই নান্দনিকতার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে বাংলার নারী সমাজ তাদের পছন্দের তালিকার প্রথম দিকেই টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়িকে জায়গা দিয়েছেন। গরমে যে কোনো রংয়ের হালকা শেইড দেখতে ভালো লাগে। এটি এক ধরনের মানসিক বিষয়। 

তবে তাঁতের শাড়িতে বৈচিত্র্য আনতে ডিজাইনের দিক থেকে খানিকটা অভিনবত্ব নিয়ে আসা যায় ব্লাউজে। শাড়ির পাড়ে নিখুঁত কাজ থাকলে ভেতরে বেশি কাজের প্রয়োজন নেই। কিন্তু সেক্ষেত্রে ব্লাউজটা হতে পারে বৈচিত্র্যপূর্ণ। সে জন্য বেছে নিতে পারেন প্রিন্টের সুতি ব্লাউজ। এছাড়া কন্ট্রাস্ট রঙের ব্লাউজও বানিয়ে নেয়া যায় সুতি কাপড় কিনে। থ্রি-কোয়ার্টার বা হাফহাতা ব্লাউজ তাঁতের শাড়ির সাথে দারুণ মানিয়ে যাবে। তাছাড়া এই শাড়ির সাথে  চন্দ্রি কিংবা খদ্দরের ব্লাউজও পড়া যায়। গোল গলার ব্লাউজে শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে লাগিয়ে নেয়া যায় সুতির লেইস। আবার ঘটি হাতার ব্লাউজও ভালো দেখাবে তাঁতের শাড়ির সঙ্গে। এসব ব্লাউজ চাইলে আলাদা কাপড় কিনেও তৈরি করা যায়, আবার টাঙ্গাইলের প্রায় সব তাঁতের শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ তৈরির কাপড় দেয়া থাকে। সেই কাপড় দিয়েও তৈরি করে নেয়া যায় বৈচিত্র্য ডিজাইনের ব্লাউজ।

তাঁতের এই সকল শাড়ি কিনতে টাঙ্গাইল শাড়ি কুটির, ময়ূরী, দেশীদশ, নবরূপা, নিত্যউপহারসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসগুলো উল্লেখযোগ্য। এছাড়া বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, নিউমার্কেট, গাউছিয়া, হকার্স, চাদনীচক ইত্যাদি মার্কেটে টাঙ্গাইল তাঁত, মনিপুরি তাঁত, ব্লক, বাটিক, হাতের কাজ, হ্যান্ড পেইন্ট ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের সুতির শাড়ি পাওয়া যাবে। ৫শ’থেকে শুরু করে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম হতে পারে শাড়িগুলোর। তবে এসব মার্কেট থেকে কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই দরকষাকষি করতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলের রয়েছে সুতি তাঁতের শাড়ির বিশাল কালেকশন l 

 

 

top